মকটেস্ট বেছে নাও

অফলাইন মকটেস্ট

খুব শীঘ্রই আপলোড হবে!

সপ্তম শ্রেণি: বাংলা, নজরুলের গান – রামকুমার চট্টোপাধ্যায়, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

অধ্যায়: কাজী নজরুলের গান
(সংক্ষিপ্ত / ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর – মান: 2)

নিচের প্রশ্নগুলির প্রাসঙ্গিক ও বিস্তারিত উত্তর দাও:

1. ‘কাজী নজরুলের গান’ গদ্যাংশে উল্লেখিত স্বদেশি মিটিং-এর ‘রীতি’ বা নিয়মটি কী ছিল?

উত্তর দেখো

উত্তর: রামকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কাজী নজরুলের গান’ গদ্যাংশে পরাধীন ভারতের এক স্বদেশি মিটিংয়ের কথা বলা হয়েছে। সেই সময়ে কলকাতার স্বদেশি মিটিংগুলির একটি অলিখিত নিয়ম বা রীতি ছিল যে, সবার শেষে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু বক্তৃতা দেবেন, কিন্তু তাঁর বক্তৃতার ঠিক আগে কাজী নজরুল ইসলামকে অবশ্যই গান গাইতে হবে। এই নিয়মটি শ্রোতাদের মধ্যে প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করত।

2. মিটিংয়ে কাজী নজরুল ইসলামের গান গাওয়ার ভঙ্গিটি কেমন ছিল?

উত্তর দেখো

উত্তর: লেখক রামকুমার চট্টোপাধ্যায় ছোটবেলায় হেদুয়ার এক স্বদেশি মিটিংয়ে গিয়ে কাজী নজরুল ইসলামকে খুব কাছ থেকে গান গাইতে দেখেছিলেন। নজরুলের মুখভর্তি পান ছিল এবং তিনি গলার সঙ্গে একটি হারমোনিয়াম ঝুলিয়ে নিয়েছিলেন। এই অবস্থাতেই তিনি মঞ্চের ওপর দাঁড়িয়ে অত্যন্ত আবেগ এবং প্রবল উন্মাদনার সঙ্গে গান গাইছিলেন, যা উপস্থিত সমস্ত শ্রোতাকে গভীরভাবে মুগ্ধ করেছিল।

3. নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বক্তৃতার প্রভাব লেখক এবং শ্রোতাদের ওপর কেমন পড়েছিল?

উত্তর দেখো

উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের গান শেষ হওয়ার পর মঞ্চে আসতেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তিনি তাঁর দরাজ এবং গম্ভীর কণ্ঠে অত্যন্ত জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিতেন। পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে দেশমাতৃকাকে স্বাধীন করার জন্য নেতাজির সেই বলিষ্ঠ ও অনুপ্রেরণামূলক কথাগুলো লেখক সহ সভায় উপস্থিত সকল শ্রোতার মনে গভীর দেশপ্রেম এবং অসীম সাহসের সঞ্চার করত।

4. “রক্ত তখন টগবগ করে ফুটছে” – কার রক্ত, কেন টগবগ করে ফুটছিল?

উত্তর দেখো

উত্তর: রামকুমার চট্টোপাধ্যায়ের লেখা গদ্যাংশে এখানে স্বয়ং লেখকের রক্ত টগবগ করে ফোটার কথা বলা হয়েছে। ছোটবেলায় এক স্বদেশি সভায় গিয়ে লেখক প্রথমে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের উদ্দীপনাময় গান শোনেন এবং তারপর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর দরাজ কণ্ঠের জ্বালাময়ী বক্তৃতা শোনেন। দেশের এই দুই মহান নেতার দেশপ্রেম ও উন্মাদনা দেখে ছোট্ট লেখকের মনেও তীব্র উত্তেজনা এবং গভীর স্বদেশপ্রেমের জাগরণ ঘটেছিল, যার ফলেই তাঁর রক্ত টগবগ করে ফুটছিল।

5. মিটিং শেষে বাড়ি ফিরে লেখক কী করেছিলেন এবং কেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: স্বদেশি মিটিংয়ে নজরুল ইসলামের গান এবং নেতাজির বক্তৃতা শোনার পর লেখকের মনে এক প্রবল দেশপ্রেম এবং তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। মিটিং শেষ হওয়ার পর তিনি সেই অদ্ভুত ঘোর এবং উত্তেজনা নিয়ে প্রায় একছুটে নিজের বাড়ি ফিরে এসেছিলেন। বাড়ি ফিরে মনের সেই প্রবল উত্তেজনা এবং আবেগ প্রশমিত করার জন্যই তিনি তাঁর প্রিয় বাদ্যযন্ত্র তবলা টেনে নিয়ে তবলার বোলে ‘দ্রিমি দ্রিমি’ শব্দ তুলতে শুরু করেছিলেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শেয়ার