মকটেস্ট বেছে নাও

অফলাইন মকটেস্ট

খুব শীঘ্রই আপলোড হবে!

নবম শ্রেণি: বাংলা, নব নব সৃষ্টি -সৈয়দ মুজতবা আলী MCQ ও অন্যান্য এক নম্বরের প্রশ্ন উত্তর

অধ্যায় 6: নব নব সৃষ্টি
(মূল রচনা: সৈয়দ মুজতবা আলী)

📖 বিষয় সূচনা

‘নব নব সৃষ্টি’ প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও ভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘চতুরঙ্গ’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া একটি অসাধারণ প্রবন্ধ। এই প্রবন্ধে লেখক মূলত বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডার, ভাষার নিজস্বতা এবং বিদেশি শব্দের আগমন নিয়ে আলোচনা করেছেন। সংস্কৃত ভাষা হলো আত্মনির্ভরশীল ভাষা, কিন্তু বাংলা ভাষা তা নয়। বাংলা ভাষায় প্রয়োজনে আরবি, ফারসি, ইংরেজি সহ নানা বিদেশি শব্দ অনায়াসে প্রবেশ করেছে। লেখকের মতে, ভাষার এই গ্রহণক্ষমতা দোষের নয়, বরং এটি ভাষাকে আরও সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করে তোলে। ধর্ম, সংস্কৃতি এবং সাহিত্যের পরিবর্তনের সঙ্গে ভাষার যে নিবিড় সম্পর্ক এবং তার ফলেই যে ভাষায় ‘নব নব সৃষ্টি’ বা নতুন নতুন শব্দের জন্ম হয়, তা-ই এই প্রবন্ধের মূল আলোচ্য বিষয়।

🎯 বিষয় সংক্ষেপ

এই প্রবন্ধের মূল ভাব ও আলোচ্য দিকগুলি হলো:

  • সংস্কৃত ভাষার আত্মনির্ভরশীলতা: সংস্কৃত ভাষা নতুন শব্দের জন্য অন্য ভাষার ওপর নির্ভর করে না। নিজস্ব ধাতু বা শব্দাবয়ব থেকেই সে নতুন শব্দ তৈরি করে নিতে পারে। প্রাচীন গ্রিক, হিব্রু বা আরবি ভাষাও এই প্রকৃতির।
  • বাংলা ভাষার মিশ্র প্রকৃতি: বাংলা ভাষা আত্মনির্ভরশীল নয়। প্রয়োজন হলেই বাংলা ভাষা বিদেশি শব্দ (আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি) ধার করেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা কাজী নজরুল ইসলামও তাঁদের রচনায় প্রচুর বিদেশি শব্দ ব্যবহার করেছেন।
  • ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রভাব: লেখক দেখিয়েছেন যে বাঙালির জীবন, ধর্ম এবং সংস্কৃতির সঙ্গে সংস্কৃত ভাষার গভীর যোগ রয়েছে। তাই বাঙালি যতই বিদেশি শব্দ ধার করুক না কেন, সংস্কৃতের প্রতি তার একটা সহজাত টান থেকেই যাবে।
  • হিন্দি ও অন্যান্য ভাষার প্রসঙ্গ: হিন্দি ভাষা থেকে বিদেশি শব্দ তাড়ানোর চেষ্টা যে সফল হয়নি, লেখক তা বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ও হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন। ভাষার মূল শক্তি হলো তার গ্রহণক্ষমতা, যা ভাষাকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সাহায্য করে।

📊 বিস্তারিত ও সম্ভাব্য নম্বর বিভাজন

এই অধ্যায় (প্রবন্ধ) থেকে নবম শ্রেণির পরীক্ষায় সম্ভাব্য মোট নম্বর: 5 থেকে 8

প্রশ্নের ধরনমানসম্ভাব্য প্রশ্ন সংখ্যাসম্ভাব্য মোট নম্বর
বহু বিকল্প ভিত্তিক11 থেকে 2 টি1 – 2
অতি সংক্ষিপ্ত11 থেকে 2 টি1 – 2
ব্যাখ্যামূলক31 টি3
বর্ণনামূলক51 টি (বিকল্পসহ আসে)5

অধ্যায় 6: নব নব সৃষ্টি
(বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন)

সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো:

1. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?

  • (ক) প্রমথ চৌধুরী
  • (খ) সৈয়দ মুজতবা আলী
  • (গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  • (ঘ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর দেখো

উত্তর: (খ) সৈয়দ মুজতবা আলী

2. প্রবন্ধটি লেখকের কোন্ গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

  • (ক) দেশে বিদেশে
  • (খ) পঞ্চতন্ত্র
  • (গ) চতুরঙ্গ
  • (ঘ) ময়ূরকণ্ঠী
উত্তর দেখো

উত্তর: (গ) চতুরঙ্গ

3. লেখকের মতে কোন্ ভাষা আত্মনির্ভরশীল?

  • (ক) বাংলা
  • (খ) ইংরেজি
  • (গ) ফরাসি
  • (ঘ) সংস্কৃত
উত্তর দেখো

উত্তর: (ঘ) সংস্কৃত

4. সংস্কৃতের মতো আত্মনির্ভরশীল ভাষা প্রাচীন যুগে আর কোন্গুলি ছিল?

  • (ক) ইংরেজি ও ফরাসি
  • (খ) হিব্রু, গ্রিক ও আবেস্তা
  • (গ) আরবি ও ফারসি
  • (ঘ) হিন্দি ও উর্দু
উত্তর দেখো

উত্তর: (খ) হিব্রু, গ্রিক ও আবেস্তা

5. নতুন শব্দ নির্মাণের প্রয়োজন হলে সংস্কৃত ভাষা কার ওপর নির্ভর করে?

  • (ক) বিদেশি ভাষার ওপর
  • (খ) নিজস্ব ধাতু বা শব্দাবয়বের ওপর
  • (গ) আঞ্চলিক ভাষার ওপর
  • (ঘ) ইংরেজি ভাষার ওপর
উত্তর দেখো

উত্তর: (খ) নিজস্ব ধাতু বা শব্দাবয়বের ওপর

6. বর্তমান যুগে নিজের প্রয়োজনে বিদেশি শব্দ ধার করার ক্ষেত্রে কোন্ ভাষা সর্বশ্রেষ্ঠ?

  • (ক) বাংলা
  • (খ) সংস্কৃত
  • (গ) হিন্দি
  • (ঘ) ইংরেজি
উত্তর দেখো

উত্তর: (ঘ) ইংরেজি

7. লেখকের মতে, বিদেশি শব্দ নেওয়া ভালো না মন্দ— এই প্রশ্নটি কেমন?

  • (ক) অত্যন্ত জরুরি
  • (খ) অবান্তর
  • (গ) গুরুত্বপূর্ণ
  • (ঘ) কঠিন
উত্তর দেখো

উত্তর: (খ) অবান্তর

8. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় স্বাচ্ছন্দ্যে কোন্ ভাষার শব্দ ব্যবহার করেছেন?

  • (ক) কেবল সংস্কৃত শব্দ
  • (খ) প্রচুর বিদেশি বা আরবি-ফারসি শব্দ
  • (গ) কেবল হিন্দি শব্দ
  • (ঘ) গ্রিক শব্দ
উত্তর দেখো

উত্তর: (খ) প্রচুর বিদেশি বা আরবি-ফারসি শব্দ

9. নিচের কোন্ কবির রচনায় আমরা আরবি-ফারসি শব্দের সার্থক ও প্রচুর ব্যবহার দেখি?

  • (ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  • (খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  • (গ) কাজী নজরুল ইসলাম
  • (ঘ) নবীনচন্দ্র সেন
উত্তর দেখো

উত্তর: (গ) কাজী নজরুল ইসলাম

10. প্রাচীন যুগের বাঙালি কবিদের মধ্যে কাদের রচনায় আরবি-ফারসি শব্দের ব্যবহার দেখা যায়?

  • (ক) চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতি
  • (খ) আলাওল ও ভারতচন্দ্র
  • (গ) কৃত্তিবাস ও কাশীরাম দাস
  • (ঘ) মুকুন্দরাম ও রামপ্রসাদ
উত্তর দেখো

উত্তর: (খ) আলাওল ও ভারতচন্দ্র

11. হিন্দি ভাষা থেকে আরবি-ফারসি শব্দ তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাকে লেখক কী বলেছেন?

  • (ক) ভালো উদ্যোগ
  • (খ) সহজ কাজ
  • (গ) অবাস্তব বা পণ্ডশ্রম
  • (ঘ) সময়ের দাবি
উত্তর দেখো

উত্তর: (গ) অবাস্তব বা পণ্ডশ্রম

12. পাঠান-মোগল যুগে ভারতের আইন-আদালতের ভাষা কী ছিল?

  • (ক) হিন্দি
  • (খ) ইংরেজি
  • (গ) ফারসি (বা আরবি-ফারসি)
  • (ঘ) সংস্কৃত
উত্তর দেখো

উত্তর: (গ) ফারসি (বা আরবি-ফারসি)

13. “বাঙালির চরিত্রে ________ বিদ্যমান।” – শূন্যস্থানে কী বসবে?

  • (ক) অলসতা
  • (খ) ভীরুতা
  • (গ) বিদ্রোহ
  • (ঘ) অহংকার
উত্তর দেখো

উত্তর: (গ) বিদ্রোহ

14. লেখকের মতে, বাঙালিরা কোন্ কোন্ ক্ষেত্রে বিদ্রোহ করেছে?

  • (ক) কেবল রাজনীতিতে
  • (খ) রাজনীতি, ধর্ম, সাহিত্য— সব ক্ষেত্রেই
  • (গ) কেবল ধর্মে
  • (ঘ) কেবল অর্থনীতিতে
উত্তর দেখো

উত্তর: (খ) রাজনীতি, ধর্ম, সাহিত্য— সব ক্ষেত্রেই

15. লেখকের মতে, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্য সৃষ্টি কোনটি?

  • (ক) মঙ্গলকাব্য
  • (খ) বাউল গান
  • (গ) পদাবলী কীর্তন
  • (ঘ) আধুনিক উপন্যাস
উত্তর দেখো

উত্তর: (গ) পদাবলী কীর্তন

16. বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর রচনায় কীরূপ ভাষা ব্যবহার করতেন?

  • (ক) সম্পূর্ণ আলালী ভাষা
  • (খ) বিশুদ্ধ সংস্কৃত ভাষা
  • (গ) প্রয়োজনমতো সংস্কৃত ও বিদেশি শব্দের মিশ্রণ (মাঝামাঝি পথ)
  • (ঘ) কেবল গ্রামীণ ভাষা
উত্তর দেখো

উত্তর: (গ) প্রয়োজনমতো সংস্কৃত ও বিদেশি শব্দের মিশ্রণ (মাঝামাঝি পথ)

17. “ধর্ম বদলালেই ________ বদলায় না।” – শূন্যস্থানে কী বসবে?

  • (ক) পোশাক
  • (খ) খাবার
  • (গ) জাতি বা ভাষা
  • (ঘ) উৎসব
উত্তর দেখো

উত্তর: (গ) জাতি বা ভাষা

18. লেখকের মতে, যতদিন বাঙালি থাকবে, ততদিন কী থাকবে?

  • (ক) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (এবং নিজস্বতা)
  • (খ) বিদেশি শাসন
  • (গ) ইংরেজি ভাষা
  • (ঘ) প্রাচীন সংস্কার
উত্তর দেখো

উত্তর: (ক) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য (এবং নিজস্বতা)

19. বিদেশি শব্দের প্রবেশ বন্ধ করার চেষ্টা করা লেখকের মতে কেমন কাজ?

  • (ক) পণ্ডশ্রম বা বৃথা কাজ
  • (খ) মহৎ কাজ
  • (গ) সহজ কাজ
  • (ঘ) লাভজনক কাজ
উত্তর দেখো

উত্তর: (ক) পণ্ডশ্রম বা বৃথা কাজ

20. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধটিতে বাংলা ভাষার কোন্ বৈশিষ্ট্যের কথা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে?

  • (ক) রক্ষণশীলতা
  • (খ) শব্দ গ্রহণক্ষমতা বা মিশ্র প্রকৃতি
  • (গ) প্রাচীনত্ব
  • (ঘ) দুর্বলতা
উত্তর দেখো

উত্তর: (খ) শব্দ গ্রহণক্ষমতা বা মিশ্র প্রকৃতি

অধ্যায় 6: নব নব সৃষ্টি
(সত্য/মিথ্যা নির্ণয় – সম্পূর্ণ 20 টি প্রশ্ন)

নিচের বাক্যগুলি সত্য না মিথ্যা তা নির্ণয় করো:

1. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধটির রচয়িতা হলেন প্রমথ চৌধুরী।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: প্রবন্ধটির রচয়িতা হলেন সৈয়দ মুজতবা আলী।)

2. প্রবন্ধটি লেখকের ‘চতুরঙ্গ’ নামক গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

3. লেখকের মতে, সংস্কৃত ভাষা হলো একটি আত্মনির্ভরশীল ভাষা।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

4. বাংলা ভাষাকেও লেখক সংস্কৃতের মতো আত্মনির্ভরশীল ভাষা বলে মনে করেন।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: বাংলা ভাষা সংস্কৃতের মতো আত্মনির্ভরশীল নয়, এটি মিশ্র প্রকৃতির ভাষা।)

5. প্রাচীন গ্রিক ও হিব্রু ভাষাও সংস্কৃতের মতো আত্মনির্ভরশীল ছিল।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

6. নতুন শব্দের প্রয়োজন হলে সংস্কৃত ভাষা বিদেশি ভাষার দিকে তাকায়।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: নতুন শব্দের প্রয়োজন হলে সংস্কৃত ভাষা নিজের ধাতু বা শব্দভাণ্ডারের দিকেই তাকায়।)

7. বর্তমান যুগে নিজের প্রয়োজনে বিদেশি শব্দ ধার করার ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষা সর্বশ্রেষ্ঠ।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

8. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় বিদেশি শব্দ ব্যবহার করা থেকে সর্বদা বিরত থেকেছেন।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় স্বাচ্ছন্দ্যে আরবি-ফারসি সহ নানা বিদেশি শব্দ ব্যবহার করেছেন।)

9. কাজী নজরুল ইসলামের রচনায় আরবি-ফারসি শব্দের প্রচুর ও সার্থক ব্যবহার দেখা যায়।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

10. প্রাচীন বাঙালি কবি আলাওল ও ভারতচন্দ্র তাঁদের রচনায় আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করেননি।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: আলাওল ও ভারতচন্দ্র তাঁদের রচনায় আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করেছেন।)

11. হিন্দি ভাষা থেকে আরবি-ফারসি শব্দ তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাকে লেখক ‘পণ্ডশ্রম’ বা বৃথা কাজ বলেছেন।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

12. পাঠান-মোগল যুগে ভারতের আইন-আদালত এবং খাজনা-খারিজের ভাষা ছিল ইংরেজি।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: পাঠান-মোগল যুগে ভারতের আইন-আদালতের ভাষা ছিল ফারসি।)

13. লেখকের মতে, বাঙালির চরিত্রে চিরকালই ‘বিদ্রোহ’ বিদ্যমান।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

14. বাঙালি জাতি কেবল রাজনীতিতেই বিদ্রোহ করেছে, ধর্ম বা সাহিত্যে কখনো বিদ্রোহ করেনি।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: বাঙালি রাজনীতি, ধর্ম, সাহিত্য— সব ক্ষেত্রেই যখনই অন্যায় দেখেছে, তখনই বিদ্রোহ করেছে।)

15. লেখকের মতে, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্য সৃষ্টি হলো পদাবলী কীর্তন।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

16. বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর রচনায় কেবল বিশুদ্ধ সংস্কৃত শব্দ ব্যবহার করেছেন, বিদেশি শব্দ বর্জন করেছেন।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: বঙ্কিমচন্দ্র মাঝামাঝি পথ অবলম্বন করেছিলেন এবং প্রয়োজনমতো সংস্কৃত ও বিদেশি শব্দের মিশ্রণ ঘটিয়েছিলেন।)

17. ধর্ম বদলালেই বাঙালির জাতি বা মাতৃভাষা বদলে যায় না।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

18. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হলো বাংলা ভাষা থেকে সমস্ত বিদেশি শব্দ তাড়িয়ে দেওয়া উচিত।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিথ্যা
(সঠিক তথ্য: প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হলো বিদেশি শব্দ গ্রহণ করা ভাষার দুর্বলতা নয়, বরং এটি ভাষাকে সমৃদ্ধ করে এবং এই মিশ্রণকে মেনে নেওয়াই উচিত।)

19. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধে বাংলা ভাষার গ্রহণক্ষমতা বা মিশ্র প্রকৃতির কথা স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

20. লেখকের মতে, যতদিন বাঙালি জাতি পৃথিবীতে থাকবে, ততদিন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সগৌরবে টিকে থাকবে।

উত্তর দেখো

উত্তর: সত্য

অধ্যায় 6: নব নব সৃষ্টি
(শূন্যস্থান পূরণ করো – সম্পূর্ণ 20 টি প্রশ্ন)

উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো:

1. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা ________ লেখা।

উত্তর দেখো

উত্তর: আলীর

2. প্রবন্ধটি লেখকের ‘________’ নামক গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

উত্তর দেখো

উত্তর: চতুরঙ্গ

3. লেখকের মতে, ________ ভাষা হলো একটি আত্মনির্ভরশীল ভাষা।

উত্তর দেখো

উত্তর: সংস্কৃত

4. সংস্কৃতের মতো প্রাচীন যুগে হিব্রু বা ________ ভাষাও আত্মনির্ভরশীল ছিল।

উত্তর দেখো

উত্তর: গ্রিক

5. নতুন শব্দের প্রয়োজন হলে সংস্কৃত ভাষা নিজস্ব ________ বা শব্দাবয়বের দিকে তাকায়।

উত্তর দেখো

উত্তর: ধাতু

6. বাংলা ভাষা সংস্কৃতের মতো আত্মনির্ভরশীল নয়, এটি একটি ________ প্রকৃতির ভাষা।

উত্তর দেখো

উত্তর: মিশ্র

7. বর্তমান যুগে নিজের প্রয়োজনে বিদেশি শব্দ ধার করার ক্ষেত্রে ________ ভাষা সর্বশ্রেষ্ঠ।

উত্তর দেখো

উত্তর: ইংরেজি

8. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় স্বাচ্ছন্দ্যে প্রচুর আরবি-________ শব্দ ব্যবহার করেছেন।

উত্তর দেখো

উত্তর: ফারসি

9. কবি কাজী ________ ইসলামের রচনায় আরবি-ফারসি শব্দের প্রচুর ও সার্থক ব্যবহার দেখা যায়।

উত্তর দেখো

উত্তর: নজরুল

10. প্রাচীন বাঙালি কবি আলাওল ও ________ তাঁদের রচনায় অনায়াসে বিদেশি শব্দ ব্যবহার করেছেন।

উত্তর দেখো

উত্তর: ভারতচন্দ্র

11. হিন্দি ভাষা থেকে আরবি-ফারসি শব্দ তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাকে লেখক ‘________’ বা বৃথা কাজ বলেছেন।

উত্তর দেখো

উত্তর: পণ্ডশ্রম

12. পাঠান-মোগল যুগে ভারতের আইন-আদালত এবং খাজনা-খারিজের ভাষা ছিল ________।

উত্তর দেখো

উত্তর: ফারসি

13. বাঙালির চরিত্রে চিরকালই ‘________’ বিদ্যমান।

উত্তর দেখো

উত্তর: বিদ্রোহ

14. বাঙালি রাজনীতি, ধর্ম, সাহিত্য— সব ক্ষেত্রেই যখনই অন্যায় দেখেছে, তখনই ________ করেছে।

উত্তর দেখো

উত্তর: বিদ্রোহ

15. লেখকের মতে, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্য সৃষ্টি হলো ________ কীর্তন।

উত্তর দেখো

উত্তর: পদাবলী

16. সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর রচনায় প্রয়োজনমতো সংস্কৃত ও ________ শব্দের মিশ্রণ ঘটিয়েছিলেন।

উত্তর দেখো

উত্তর: বিদেশি

17. ধর্ম বদলালেই বাঙালির জাতি বা মাতৃ________ বদলে যায় না।

উত্তর দেখো

উত্তর: ভাষা

18. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধের মূল বক্তব্য হলো বিদেশি শব্দ গ্রহণ করা ভাষার ________ নয়, বরং তা ভাষাকে সমৃদ্ধ করে।

উত্তর দেখো

উত্তর: দুর্বলতা

19. যতদিন বাঙালি জাতি পৃথিবীতে থাকবে, ততদিন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সগৌরবে এবং নিজস্বতায় ________ থাকবে।

উত্তর দেখো

উত্তর: টিকে

20. বাংলা ভাষায় প্রয়োজন অনুসারে প্রতিনিয়ত বিদেশি শব্দের আগমনের ফলেই ভাষায় ‘নব নব ________’ ঘটে চলেছে।

উত্তর দেখো

উত্তর: সৃষ্টি

অধ্যায় 6: নব নব সৃষ্টি
(অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – মান: 1)

নিচের প্রশ্নগুলির একটি বা দুটি বাক্যে উত্তর দাও:

1. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?

উত্তর দেখো

উত্তর: ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও ভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলী।

2. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধটি কোন্ গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?

উত্তর দেখো

উত্তর: ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধটি সৈয়দ মুজতবা আলীর লেখা ‘চতুরঙ্গ’ নামক গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

3. কোন্ ভাষাকে লেখক আত্মনির্ভরশীল ভাষা বলেছেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: লেখক সংস্কৃত ভাষাকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বা আত্মনির্ভরশীল ভাষা বলেছেন।

4. সংস্কৃত ভাষা ছাড়া আর কোন্ কোন্ প্রাচীন ভাষাকে আত্মনির্ভরশীল বলা যায়?

উত্তর দেখো

উত্তর: সংস্কৃত ভাষা ছাড়া প্রাচীন যুগের হিব্রু, গ্রিক এবং আবেস্তা ভাষাকেও আত্মনির্ভরশীল ভাষা বলা যায়।

5. সংস্কৃত ভাষাকে আত্মনির্ভরশীল বলার প্রধান কারণ কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: নতুন কোনো শব্দের প্রয়োজন হলে সংস্কৃত ভাষা অন্য ভাষার দিকে না তাকিয়ে নিজের শব্দভাণ্ডার বা ধাতুর খোঁজ করে, তাই একে আত্মনির্ভরশীল বলা হয়।

6. বাংলা ভাষাকে লেখক কী প্রকৃতির ভাষা বলেছেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: বাংলা ভাষা সংস্কৃতের মতো আত্মনির্ভরশীল নয়, একে লেখক মিশ্র প্রকৃতির ভাষা বলেছেন, কারণ এতে বহু বিদেশি শব্দ মিশে আছে।

7. বর্তমান যুগে নিজের প্রয়োজনে বিদেশি শব্দ ধার করার ক্ষেত্রে কোন্ ভাষা সর্বশ্রেষ্ঠ?

উত্তর দেখো

উত্তর: বর্তমান যুগে নিজের প্রয়োজনে অনায়াসে বিদেশি শব্দ ধার করার ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষা সর্বশ্রেষ্ঠ।

8. বিদেশি শব্দ গ্রহণ করার বিষয়ে লেখকের অভিমত কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: লেখকের মতে, বিদেশি শব্দ নেওয়া ভালো না মন্দ, সে প্রশ্ন একেবারেই অবান্তর; যুগের প্রয়োজনে এবং ভাষার স্বার্থে তা গ্রহণ করতেই হবে।

9. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় স্বাচ্ছন্দ্যে কোন্ কোন্ বিদেশি শব্দ ব্যবহার করেছেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচনায় স্বাচ্ছন্দ্যে এবং অনায়াসে প্রচুর আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করেছেন।

10. কোন্ আধুনিক কবির রচনায় আরবি-ফারসি শব্দের প্রচুর ও সার্থক ব্যবহার দেখা যায়?

উত্তর দেখো

উত্তর: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচনায় আরবি-ফারসি শব্দের প্রচুর এবং সার্থক ব্যবহার দেখা যায়।

11. প্রাচীন যুগের কোন্ কোন্ বাঙালি কবির রচনায় বিদেশি শব্দের সার্থক প্রয়োগ দেখা যায়?

উত্তর দেখো

উত্তর: প্রাচীন যুগের বাঙালি কবি আলাওল এবং ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের রচনায় বিদেশি শব্দের অত্যন্ত সার্থক প্রয়োগ দেখা যায়।

12. হিন্দি ভাষা থেকে আরবি-ফারসি শব্দ তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাকে লেখক কী বলেছেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: হিন্দি ভাষা থেকে আরবি-ফারসি শব্দ জোর করে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাকে লেখক ‘পণ্ডশ্রম’ বা সম্পূর্ণ বৃথা কাজ বলেছেন।

13. পাঠান-মোগল যুগে ভারতের আইন-আদালত এবং খাজনা-খারিজের ভাষা কী ছিল?

উত্তর দেখো

উত্তর: পাঠান ও মোগল যুগে ভারতের আইন-আদালত এবং খাজনা-খারিজের প্রধান ভাষা ছিল ফারসি।

14. ব্রিটিশ যুগে ভারতের আইন-আদালতের ভাষা ফারসির বদলে কী হয়েছিল?

উত্তর দেখো

উত্তর: ব্রিটিশ যুগে ভারতের আইন-আদালত এবং রাজকার্যের ভাষা ফারসির বদলে ইংরেজি ভাষা হয়েছিল।

15. লেখকের মতে, বাঙালির চরিত্রে চিরকালই কোন্ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান?

উত্তর দেখো

উত্তর: লেখকের মতে, বাঙালির চরিত্রে চিরকালই ‘বিদ্রোহ’ নামক বৈশিষ্ট্যটি প্রবলভাবে বিদ্যমান।

16. বাঙালি জাতি কোন্ কোন্ ক্ষেত্রে বিদ্রোহ করেছে বলে লেখক জানিয়েছেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: রাজনীতি, ধর্ম, সাহিত্য— জীবনের সব ক্ষেত্রেই যখনই বাঙালি সত্য ও সুন্দরের অভাব বা অন্যায় দেখেছে, তখনই বিদ্রোহ করেছে।

17. লেখকের মতে, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্য সৃষ্টি কোনটি?

উত্তর দেখো

উত্তর: লেখকের মতে, বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ এবং খাঁটি সাহিত্য সৃষ্টি হলো ‘পদাবলী কীর্তন’।

18. সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর রচনায় কীরূপ ভাষারীতির মিশ্রণ ঘটিয়েছিলেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চরম পন্থা ত্যাগ করে মাঝামাঝি পথ নিয়েছিলেন এবং প্রয়োজনমতো সংস্কৃত ও আরবি-ফারসি বা বিদেশি শব্দের নিপুণ মিশ্রণ ঘটিয়েছিলেন।

19. ‘ধর্ম বদলালেই জাতি বা মাতৃভাষা বদলে যায় না’— লেখকের এই মন্তব্যের ভিত্তি কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: বাঙালি মুসলমান সমাজ ধর্ম বদলালেও তারা আরবি বা উর্দু ভাষাকে মাতৃভাষা হিসেবে গ্রহণ করেনি, বাংলাকেই ভালোবেসেছে— এটিই এই মন্তব্যের ভিত্তি।

20. বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের প্রবেশ বন্ধ করার চেষ্টা করাকে লেখক কেন অবাস্তব বলেছেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: কারণ বাংলা একটি মিশ্র ভাষা এবং যুগে যুগে প্রয়োজনের তাগিদে এর মধ্যে বহু বিদেশি শব্দ এমনভাবে মিশে গেছে যে, তা আজ ভাষার অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

21. বাংলা ভাষায় মূলত কোন্ কোন্ ভাষার শব্দ প্রচুর পরিমাণে প্রবেশ করেছে?

উত্তর দেখো

উত্তর: সংস্কৃত তো বটেই, তা ছাড়া আরবি, ফারসি, ইংরেজি এবং পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষার শব্দ বাংলা ভাষায় প্রচুর পরিমাণে প্রবেশ করেছে।

22. ‘নব নব সৃষ্টি’ প্রবন্ধের মূল বক্তব্য কী?

উত্তর দেখো

উত্তর: প্রয়োজন অনুসারে বিদেশি শব্দ গ্রহণ করে ভাষাকে সমৃদ্ধ করা এবং নব নব শব্দ সৃষ্টির মাধ্যমে ভাষার প্রাণবন্ত রূপ বজায় রাখাই এই প্রবন্ধের মূল বক্তব্য।

23. লেখকের মতে, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য কতদিন সগৌরবে টিকে থাকবে?

উত্তর দেখো

উত্তর: লেখকের মতে, যতদিন পৃথিবীতে বাঙালি জাতি থাকবে, ততদিন বাংলা ভাষা ও সাহিত্য তার নিজস্বতা নিয়ে সগৌরবে টিকে থাকবে।

24. কে অনায়াসে বলেছেন, “আমি বাংলায় কথা কই”?

উত্তর দেখো

উত্তর: পদাবলী কীর্তনের পদকর্তারা এবং বাঙালি মুসলমান সমাজ অত্যন্ত গর্বের সাথে অনায়াসে বলেছে, “আমি বাংলায় কথা কই”।

25. ভাষার মূল শক্তি বা সজীবতা কিসে লুকিয়ে থাকে বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন?

উত্তর দেখো

উত্তর: যুগের প্রয়োজনে নতুন শব্দ তৈরি করা এবং বিদেশি শব্দ গ্রহণ করার মতো অসীম ক্ষমতার মধ্যেই ভাষার মূল শক্তি বা সজীবতা লুকিয়ে থাকে বলে প্রাবন্ধিক মনে করেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শেয়ার