নবম শ্রেণি: বাংলা, স্বপ্নপর্ণী (প্রফেসর শঙ্কুর ডাইরি) – সত্যজিৎ রায়, MCQ ও অন্যান্য 1 নম্বরের প্রশ্নত্তোর
সহায়ক পাঠ: স্বর্ণপর্ণী
(মূল রচনা: সত্যজিৎ রায়)
📖 বিষয় সূচনা
‘স্বর্ণপর্ণী’ গল্পটি প্রফেসর শঙ্কুর জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এখানে আমরা দেখি কীভাবে শঙ্কুর বাবা ত্রিপুরাকেশ্বর শঙ্কু এবং এক রহস্যময় সাধুর হাত ধরে শঙ্কু তাঁর অদ্ভুত সব ওষধি আবিষ্কারের প্রেরণা পেয়েছিলেন। বিশেষত ‘মিরাকিউরল’ তৈরির প্রধান উপাদান এই দুর্লভ স্বর্ণপর্ণী গাছটি তিনি কীভাবে খুঁজে পেলেন, সেই ইতিহাস এখানে বর্ণিত হয়েছে।
🎯 গল্পের প্রধান দিকসমূহ
- ত্রিপুরাকেশ্বর শঙ্কু: প্রফেসর শঙ্কুর বাবা, যিনি একজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ছিলেন। তাঁর কাছ থেকেই শঙ্কুর বিজ্ঞানের প্রতি অনুরাগের শুরু।
- টিকলিবাবার রহস্য: এক অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী সাধু, যিনি শঙ্কুর বাবাকে স্বর্ণপর্ণী গাছের সন্ধান দিয়েছিলেন।
- স্বর্ণপর্ণী গাছ: একটি দুষ্প্রাপ্য ওষধি গাছ যার পাতা সোনার মতো উজ্জ্বল এবং যা থেকে সর্বরোগহর মিরাকিউরল তৈরি সম্ভব।
- বিদেশে শঙ্কু: শঙ্কু কীভাবে বিদেশের মাটিতে তাঁর এই ওষধি গুণাগুণ প্রমাণ করেছিলেন এবং বিখ্যাত বিজ্ঞানী সন্ডার্স ও অন্যদের সাহায্য করেছিলেন।
📊 পরীক্ষার গুরুত্ব
এই অধ্যায়টি থেকে সাধারণত বড় প্রশ্ন (5 নম্বর) আসার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে। বিশেষ করে শঙ্কুর বাবার চরিত্র, স্বর্ণপর্ণী গাছ পাওয়ার ইতিহাস এবং সন্ডার্সের সাথে তাঁর অভিজ্ঞতার বর্ণনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সহায়ক পাঠ: স্বর্ণপর্ণী
(বহু বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্ন – MCQ)
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো:
1. প্রফেসর শঙ্কুর বাবার নাম কী ছিল?
- (ক) ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু
- (খ) ত্রিপুরাকেশ্বর শঙ্কু
- (গ) পরমেশ্বর শঙ্কু
- (ঘ) হরিকেশ্বর শঙ্কু
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) ত্রিপুরাকেশ্বর শঙ্কু
2. স্বর্ণপর্ণী গাছটির পাতা সোনার মতো উজ্জ্বল হয় কখন?
- (ক) ভোরে রোদ পড়লে
- (খ) পাতা শুকিয়ে গেলে
- (গ) বর্ষাকালে
- (ঘ) রাতে অন্ধকারে
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) পাতা শুকিয়ে গেলে
3. শঙ্কুর বাবা কোন্ সাধুর কাছ থেকে স্বর্ণপর্ণীর খবর পেয়েছিলেন?
- (ক) ল্যাংটাবাবা
- (খ) টিকলিবাবা
- (গ) জটাধারী বাবা
- (ঘ) মৌনীবাবা
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) টিকলিবাবা
4. প্রফেসর শঙ্কু স্বর্ণপর্ণী গাছটি কোথায় খুঁজে পেয়েছিলেন?
- (ক) সুন্দরবনে
- (খ) গিরিডির জঙ্গলে
- (গ) কাসৌলির পাহাড়ে
- (ঘ) তিব্বতের মালভূমিতে
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) কাসৌলির পাহাড়ে
5. শঙ্কুর বাবার পেশা কী ছিল?
- (ক) ওকালতি
- (খ) স্কুল মাস্টারি
- (গ) আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা
- (ঘ) জমিদারি
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা
6. বিলেতের কোন্ বৈজ্ঞানিক বন্ধুকে শঙ্কু স্বর্ণপর্ণী দিয়ে সুস্থ করেন?
- (ক) আর্চিবল্ড
- (খ) সন্ডার্স
- (গ) হিলটন
- (ঘ) সমারসেট
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) সন্ডার্স
7. সন্ডার্স কোন্ যন্ত্রণাদায়ক রোগে ভুগছিলেন?
- (ক) যক্ষ্মা
- (খ) অস্টিও-মায়োলাইটিস
- (গ) ক্যানসার
- (ঘ) বাত
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) অস্টিও-মায়োলাইটিস
8. শঙ্কুর বাবা কত বছর বয়সে মারা গিয়েছিলেন?
- (ক) 45 বছর
- (খ) 50 বছর
- (গ) 56 বছর
- (ঘ) 60 বছর
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) 56 বছর
9. শঙ্কুর বাবা স্বর্ণপর্ণী দিয়ে তৈরি বড়িটির নাম কী দিতে চেয়েছিলেন?
- (ক) মিরাকিউরল
- (খ) স্বর্ণবটিকা
- (গ) শঙ্কুবড়ি
- (ঘ) আরোগ্য বটিকা
উত্তর দেখো
উত্তর: (খ) স্বর্ণবটিকা
10. স্বর্ণপর্ণী গাছটি খুঁজতে গিয়ে শঙ্কু কার সাহায্য নিয়েছিলেন?
- (ক) অবিনাশবাবুর
- (খ) এক মালি বা কুলির
- (গ) বাবার ডায়েরির বর্ণনার
- (ঘ) প্রহ্লাদের
উত্তর দেখো
উত্তর: (গ) বাবার ডায়েরির বর্ণনার
আরও 10 টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো:
- 11. স্বর্ণপর্ণী বড়ির প্রধান উপাদানের নাম কী? উত্তর: স্বর্ণপর্ণী পাতা
- 12. সন্ডার্স শঙ্কুকে কত টাকা পুরস্কার দিতে চেয়েছিলেন? উত্তর: প্রচুর অর্থ (যা শঙ্কু নেননি)
- 13. টিকলিবাবা কত বছর বয়সে মারা যান? উত্তর: দেড়শ বছরের বেশি বেঁচে ছিলেন
- 14. স্বর্ণপর্ণী পাতা চিবিয়ে খেলে কী হয়? উত্তর: বার্ধক্য ও রোগ দূর হয়
- 15. শঙ্কু সন্ডার্সকে বাঁচাতে কোথায় গিয়েছিলেন? উত্তর: ইংল্যান্ডে (বিলেতে)
- 16. শঙ্কুর বাবা মিরাকিউরল বড়িটি কার ওপর প্রথম পরীক্ষা করেছিলেন? উত্তর: নিজের ওপর
- 17. স্বর্ণপর্ণী গাছটি হিমালয়ের কোন্ উচ্চতায় পাওয়া যায়? উত্তর: 10 হাজার ফুটের ওপরে
- 18. সন্ডার্সের স্ত্রী শঙ্কুর আতিথেয়তায় কেমন ছিলেন? উত্তর: অত্যন্ত কৃতজ্ঞ ও খুশি
- 19. স্বর্ণপর্ণী গল্পের প্রধান সুর কী? উত্তর: মানবিকতা ও বিজ্ঞানের জয়
- 20. ‘মিরাকিউরল’ নামটি কোন্ ভাষা থেকে এসেছে? উত্তর: ইংরেজি (Miracle + Cure)
সহায়ক পাঠ: স্বর্ণপর্ণী
(সত্য অথবা মিথ্যা নিরূপণ করো)
বিবৃতিটি সত্য না মিথ্যা তা চিহ্নিত করো:
1. প্রফেসর শঙ্কুর বাবা ত্রিপুরাকেশ্বর শঙ্কু একজন এলোপ্যাথিক ডাক্তার ছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা। (তিনি একজন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ছিলেন।)
2. স্বর্ণপর্ণী গাছের শুকনো পাতাগুলো উজ্জ্বল সোনালি রঙের হয়।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য।
3. টিকলিবাবা শঙ্কুর বাবাকে স্বর্ণপর্ণী গাছের বীজ উপহার দিয়েছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা। (তিনি কেবল গাছের সন্ধান ও বিবরণ দিয়েছিলেন।)
4. শঙ্কু যখন সন্ডার্সকে সুস্থ করেন তখন সন্ডার্স শয্যাশায়ী ছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য।
5. মিরাকিউরল বড়িটি তৈরি করতে শঙ্কুর দশ বছর সময় লেগেছিল।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা। (তিনি বাবার ডায়েরির সূত্র ধরে অনেক কম সময়ে এটি প্রস্তুত করেন।)
6. শঙ্কুর বাবা 56 বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য।
7. সন্ডার্সের হাড়ের রোগের নাম ছিল অস্টিও-আর্থ্রাইটিস।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা। (রোগটির নাম ছিল অস্টিও-মায়োলাইটিস।)
8. শঙ্কু সন্ডার্সের কাছ থেকে চিকিৎসার বিনিময়ে কোনো অর্থ গ্রহণ করেননি।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য।
9. কাসৌলিতে শঙ্কু যখন গাছটি পান তখন তাঁর সাথে অবিনাশবাবু ছিলেন।
উত্তর দেখো
উত্তর: মিথ্যা। (শঙ্কু একাই অনুসন্ধানে গিয়েছিলেন।)
10. টিকলিবাবা দেড়শ বছরেরও বেশি সময় বেঁচে ছিলেন বলে শোনা যায়।
উত্তর দেখো
উত্তর: সত্য।
সংক্ষেপে আরও 10 টি বিবৃতি:
- 11. মিরাকিউরল বড়িটি একটি সর্বরোগহর ওষুধ। — সত্য
- 12. শঙ্কু তাঁর আবিষ্কারের কথা পেটেন্ট করতে চেয়েছিলেন। — মিথ্যা
- 13. স্বর্ণপর্ণী পাতা কেবল দিনের বেলাতেই কার্যকর হয়। — মিথ্যা
- 14. শঙ্কুর বাবা দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা করতেন। — সত্য
- 15. সন্ডার্স ছিলেন একজন নামকরা ইতিহাসবিদ। — মিথ্যা (তিনি বিজ্ঞানী ছিলেন)
- 16. শঙ্কু প্রথমবার স্বর্ণপর্ণী গাছটি হিমালয়ে খুঁজে পান। — সত্য
- 17. স্বর্ণপর্ণী পাতা চিবিয়ে খেলে বার্ধক্য ফিরে আসে। — মিথ্যা (বার্ধক্য দূর হয়)
- 18. শঙ্কুর বাবার ডায়েরি থেকেই স্বর্ণপর্ণীর ইতিহাস জানা যায়। — সত্য
- 19. স্বর্ণপর্ণী গাছটি যে কোনো সাধারণ বাগানে জন্মায়। — মিথ্যা
- 20. শঙ্কু স্বর্ণপর্ণী গাছটিকে একটি অলৌকিক দান মনে করতেন। — সত্য
সহায়ক পাঠ: স্বর্ণপর্ণী
(উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো)
নিচের বাক্যগুলির শূন্যস্থান পূরণ করো:
1. স্বর্ণপর্ণী গল্পের শুরুতে প্রফেসর শঙ্কু তাঁর ______ বছরের ডায়েরি থেকে কাহিনী শুরু করেন।
উত্তর: সাতাশ
2. শঙ্কুর বাবা ছিলেন একজন প্রখ্যাত ______ চিকিৎসক।
উত্তর: আয়ুর্বেদিক
3. স্বর্ণপর্ণী গাছটি হিমালয়ের ______ নামক অঞ্চলে পাওয়া যায়।
উত্তর: কাসৌলি
4. রহস্যময় সাধু ______ শঙ্কুর বাবাকে স্বর্ণপর্ণীর কথা বলেছিলেন।
উত্তর: টিকলিবাবা
5. স্বর্ণপর্ণী পাতা শুকিয়ে গেলে তার রঙ ______ মতো উজ্জ্বল হয়।
উত্তর: সোনার
6. সন্ডার্স নামক ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ______ রোগে আক্রান্ত ছিলেন।
উত্তর: অস্টিও-মায়োলাইটিস
7. শঙ্কুর বাবার প্রিয় ওষধি গাছটি ছিল ______।
উত্তর: স্বর্ণপর্ণী
8. শঙ্কুর বাবা ______ বছর বয়সে মারা যান।
উত্তর: 56
9. স্বর্ণপর্ণী পাতা ব্যবহার করে শঙ্কু ______ নামক বড়ি আবিষ্কার করেন।
উত্তর: মিরাকিউরল
10. টিকলিবাবা ললাটে একটি ______ রঙের টিপ পরতেন বলে তাঁর এই নাম।
উত্তর: সিন্দুর (বা লাল)
11. শঙ্কু সন্ডার্সকে সুস্থ করার জন্য ______ পাড়ি দিয়েছিলেন। (উত্তর: ইংল্যান্ড)
12. স্বর্ণপর্ণী পাতা চিবিয়ে খেলে মানুষের ______ শক্তি বৃদ্ধি পায়। (উত্তর: জীবনী)
13. শঙ্কুর বাবা আয়ুর্বেদিক মতে নিরাময়কে ______ দান মনে করতেন। (উত্তর: ঈশ্বরের)
14. কাসৌলির ______ উচ্চতায় শঙ্কু স্বর্ণপর্ণী গাছের সন্ধান পান। (উত্তর: 7,000 ফুট)
15. সন্ডার্স সুস্থ হওয়ার পর শঙ্কুকে একটি ______ উপহার দিতে চেয়েছিলেন। (উত্তর: মোটা অঙ্কের চেক)
16. স্বর্ণপর্ণী গাছের পাতাগুলি দেখতে অনেকটা ______ পাতার মতো। (উত্তর: আকন্দ)
17. শঙ্কুর বাবা তাঁর ডায়েরিতে স্বর্ণপর্ণীর গুণাগুণ ______ কালিতে লিখেছিলেন। (উত্তর: লাল)
18. মিরাকিউরল নামটি ইংরেজি ______ এবং Cure শব্দ থেকে নেওয়া হয়েছে। (উত্তর: Miracle)
19. স্বর্ণপর্ণী গল্পে শঙ্কুর বাল্যকাল অতিবাহিত হয়েছে ______ শহরে। (উত্তর: গিরিডি)
20. সন্ডার্স তাঁর ডায়েরিতে শঙ্কুকে ______ নামে অভিহিত করেছেন। (উত্তর: মহাদূতের মতো ত্রাণকর্তা)
সহায়ক পাঠ: স্বর্ণপর্ণী
(অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর – মান: 1)
একটি বাক্যে উত্তর দাও:
1. ‘স্বর্ণপর্ণী’ গল্পে প্রফেসর শঙ্কুর বাবার নাম কী?
উত্তর: প্রফেসর শঙ্কুর বাবার নাম ত্রিপুরাকেশ্বর শঙ্কু।
2. ত্রিপুরাকেশ্বর শঙ্কু পেশায় কী ছিলেন?
উত্তর: তিনি একজন অভিজ্ঞ আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক বা কবিরাজ ছিলেন।
3. টিকলিবাবা কে ছিলেন?
উত্তর: টিকলিবাবা ছিলেন এক রহস্যময় ও দীর্ঘজীবী সাধু, যিনি শঙ্কুর বাবাকে স্বর্ণপর্ণীর সন্ধান দিয়েছিলেন।
4. ‘স্বর্ণপর্ণী’ গাছটি ভারতের কোন অঞ্চলে পাওয়া যায়?
উত্তর: স্বর্ণপর্ণী গাছটি হিমালয়ের কাসৌলি নামক দুর্গম অঞ্চলে পাওয়া যায়।
5. স্বর্ণপর্ণী পাতা চিবিয়ে খেলে কী উপকার হয়?
উত্তর: এটি জীবনী শক্তি বৃদ্ধি করে এবং বার্ধক্যজনিত দুর্বলতা দূর করে।
6. শঙ্কুর তৈরি ‘মিরাকিউরল’ বড়িটির নামকরণের ভিত্তি কী?
উত্তর: ইংরেজি ‘Miracle’ (অলৌকিক) এবং ‘Cure’ (নিরাময়) শব্দ দুটি থেকে এই নামকরণ করা হয়েছে।
7. বিজ্ঞানী সন্ডার্স কোন্ দুরারোগ্য রোগে ভুগছিলেন?
উত্তর: তিনি ‘অস্টিও-মায়োলাইটিস’ নামক হাড়ের কঠিন রোগে ভুগছিলেন।
8. স্বর্ণপর্ণী পাতা শুকিয়ে গেলে তার বর্ণ কেমন হয়?
উত্তর: শুকনো স্বর্ণপর্ণী পাতার রং উজ্জ্বল সোনালি হয়।
9. কত বছর বয়সে শঙ্কুর বাবার মৃত্যু হয়?
উত্তর: মাত্র 56 বছর বয়সে শঙ্কুর বাবার মৃত্যু হয়।
10. শঙ্কু সন্ডার্সকে সুস্থ করার জন্য কোথায় গিয়েছিলেন?
উত্তর: তিনি বিলেতের (ইংল্যান্ড) ল্যাঙ্কাশায়ারে সন্ডার্সের বাড়িতে গিয়েছিলেন।
11. স্বর্ণপর্ণী গাছটি হিমালয়ের কত উচ্চতায় দেখা যায়? উত্তর: 10,000 ফুটের বেশি উচ্চতায়।
12. শঙ্কুর বাবা মিরাকিউরলের নাম কী দিতে চেয়েছিলেন? উত্তর: স্বর্ণবটিকা।
13. টিকলিবাবা তাঁর কপালে কিসের তিলক পরতেন? উত্তর: সিন্দুর বা রাঙা মাটির বড় গোল তিলক।
14. স্বর্ণপর্ণী পাতা দেখতে অনেকটা কোন্ পাতার মতো? উত্তর: আকন্দ পাতার মতো।
15. সন্ডার্স সুস্থ হওয়ার পর শঙ্কুকে কী দিতে চেয়েছিলেন? উত্তর: একটি চেক বা মোটা অঙ্কের টাকা।
16. স্বর্ণপর্ণী পাতার রস কি তেতো না মিষ্টি? উত্তর: অত্যন্ত তেতো।
17. শঙ্কু তাঁর ডায়েরিতে সন্ডার্সের ডায়েরির কোন্ তারিখের কথা উল্লেখ করেছেন? উত্তর: 27 শে জুনের কথা।
18. মিরাকিউরল বড়িটি কার ওপর প্রথম প্রয়োগ করা হয়? উত্তর: শঙ্কুর বাবার নিজের ওপর।
19. শঙ্কুর বাবা মারা যাওয়ার পর স্বর্ণপর্ণী পাতাগুলো কোথায় রাখা ছিল? উত্তর: একটি টিনের কৌটোর ভেতরে।
20. স্বর্ণপর্ণী গল্পের প্রধান শিক্ষা কী? উত্তর: অর্থের চেয়ে মানবসেবা এবং বিজ্ঞানের নৈতিকতা বড়।