মকটেস্ট বেছে নাও

অফলাইন মকটেস্ট

খুব শীঘ্রই আপলোড হবে!

নবম শ্রেণি: বাংলা, নোঙর – অজিত দত্ত, রচনাধর্মী প্রশ্নত্তোর মান 5

অধ্যায় 5: নোঙর
(বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর – মান: 5)

নিচের প্রশ্নগুলির নির্দেশমতো বিস্তারিত উত্তর দাও:

1. “নোঙর গিয়াছে পড়ে তটের কিনারে” – ‘নোঙর’ ও ‘তট’ রূপক দুটির আড়ালে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন? নোঙর পড়ে যাওয়ার তাৎপর্য কবিতা অবলম্বনে বুঝিয়ে দাও। (2+3=5)

উত্তর দেখো
উত্তর:

রূপকার্থ: বিশিষ্ট কবি অজিত দত্তের ‘নোঙর’ একটি আদ্যন্ত রূপক কবিতা। এখানে আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত শব্দগুলির অন্তরালে গভীর জীবনদর্শন লুকিয়ে আছে। এই কবিতায় ‘নোঙর’ হলো প্রাত্যহিক জীবনের মায়া-মমতা, দায়িত্ব এবং সাংসারিক বন্ধনের প্রতীক। অন্যদিকে ‘তট’ হলো মানুষের গণ্ডিবদ্ধ বাস্তব জীবন এবং পারিপার্শ্বিক সমাজ।

নোঙর পড়ে যাওয়ার তাৎপর্য: কবি তাঁর জীবনতরী নিয়ে দূর সিন্ধুপারে, অর্থাৎ কল্পনার এক অসীম ও স্বাধীন জগতে পাড়ি দিতে চান। কিন্তু তিনি উপলব্ধি করেন যে তাঁর নৌকোর নোঙর তটের কিনারে গভীরভাবে আটকে গেছে। অর্থাৎ, তাঁর মানবজীবন বাস্তবতার কঠিন মাটিতে, পরিবার, আপনজন ও সমাজের মায়ার বাঁধনে এমনভাবে জড়িয়ে পড়েছে যে, শত চেষ্টা করেও সেই বন্ধন ছিন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। মানুষের মন চিরকালই অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে চায়, কিন্তু সাংসারিক কর্তব্য ও মায়ার নোঙর তাকে বাস্তবতার তটেই চিরকাল বেঁধে রাখে। মানুষের জীবনের এই চিরন্তন সীমাবদ্ধতা ও অসহায়তাই এখানে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

2. “সারারাত মিছে দাঁড় টানি” – কবির দাঁড় টানাকে ‘মিছে’ বলা হয়েছে কেন? তা সত্ত্বেও তিনি কেন সারারাত দাঁড় টানেন? (2+3=5)

উত্তর দেখো
উত্তর:

দাঁড় টানা মিছে হওয়ার কারণ: কবি তাঁর জীবনরূপী নৌকোটিকে নিয়ে দূর অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে চান। এর জন্য তিনি সারারাত ধরে নৌকোর দাঁড় টানেন। কিন্তু তিনি জানেন যে তাঁর নৌকোর নোঙর তটের কিনারে গভীরভাবে আটকে আছে। নোঙর তোলা না হলে হাজার দাঁড় টানলেও নৌকো একচুলও সামনের দিকে এগোবে না। বাস্তবতার এই কঠিন শৃঙ্খল ছিন্ন করে কল্পনার জগতে পৌঁছানো একপ্রকার অসম্ভব জেনেই কবির দাঁড় টানার অবিরাম চেষ্টাকে কবিতায় ‘মিছে’ বা ব্যর্থ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবুও দাঁড় টানার কারণ: কবির দাঁড় টানা আক্ষরিক অর্থে ব্যর্থ হলেও, এর অন্তরালে মানুষের অন্তহীন আশাবাদ লুকিয়ে আছে। মানুষ জানে যে বাস্তব জীবনের বন্ধন ছিন্ন করা সহজ নয়, তবু তার মন কখনো স্বপ্ন দেখাকে ছেড়ে দিতে পারে না। বাস্তবতার কাছে হার মেনে নেওয়া মানুষের স্বভাব নয়। তাই সমস্ত বন্ধন এবং শত ব্যর্থতা সত্ত্বেও, দূর অজানা জগতে পৌঁছানোর এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় এবং মুক্তির এক তীব্র পিপাসায় কবি নিরন্তর দাঁড় টানেন। এই অবিরাম দাঁড় টানা হলো স্বপ্নপূরণের জন্য মানুষের অন্তহীন সংগ্রামের প্রতীক।

3. ‘নোঙর’ কবিতায় জোয়ার ও ভাটার যে চিত্র ফুটে উঠেছে, মানবজীবনের প্রেক্ষিতে তার রূপকার্থ বা অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও। (5)

উত্তর দেখো
উত্তর:

কবি অজিত দত্ত তাঁর ‘নোঙর’ কবিতায় প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম জোয়ার ও ভাটার অনুষঙ্গকে মানবজীবনের উত্থান-পতনের সাথে অত্যন্ত নিপুণভাবে মিলিয়েছেন।

জোয়ারের রূপকার্থ: জোয়ারের সময় সমুদ্রের জল ফুলে ফেঁপে ওঠে। কবিতায় জোয়ারের এই ফুলে ফেঁপে ওঠা ঢেউগুলি হলো মানুষের মনে জেগে ওঠা তারুণ্যের উচ্ছ্বাস, আবেগ এবং নতুন কিছু করার অদম্য আকাঙ্ক্ষা। মানুষের মনে যখন নতুন স্বপ্ন জাগে, তখন সে ভাবে বাস্তবতার গণ্ডি সে সহজেই পেরিয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবতার কঠিন তটে বাঁধা জীবনতরীতে ধাক্কা খেয়ে সেই আবেগ বা স্বপ্নগুলি বারবার ভেঙে যায়।

ভাটার রূপকার্থ: জোয়ারের পর আসে ভাটা, যার প্রবল শোষণ নদীর সমস্ত স্রোত বা প্রাণশক্তিকে শুষে নেয়। মানবজীবনে এই ভাটা হলো হতাশা, ক্লান্তি এবং বার্ধক্যের প্রতীক। সাংসারিক গণ্ডি পেরোতে না পারার ব্যর্থতা এবং প্রাত্যহিক জীবনের একঘেয়েমি মানুষের মনের সমস্ত স্বপ্ন, উদ্দীপনা এবং সৃষ্টিশীল প্রাণশক্তিকে ভাটার শোষণের মতোই ধীরে ধীরে শুষে নেয়। ফলে মানুষের জীবন এক চিরকালীন অতৃপ্তি এবং বিষণ্ণতায় ডুবে যায়।

4. “যতই না দাঁড় টানি, যতই মাস্তুলে বাঁধি পাল” – কবির এই চেষ্টার অন্তরালে যে চিরকালীন ব্যর্থতা ও আক্ষেপের সুর ধ্বনিত হয়েছে, তা কবিতা অবলম্বনে আলোচনা করো। (5)

উত্তর দেখো
উত্তর:

‘নোঙর’ কবিতায় কবি অজিত দত্ত মানবজীবনের এক চরম ট্র্যাজেডি বা আক্ষেপের কথা তুলে ধরেছেন। মানুষের মন স্বভাবতই স্বাধীনতাপ্রিয়। সে চায় প্রাত্যহিক জীবনের একঘেয়েমি এবং সাংসারিক কর্তব্যের গণ্ডি পেরিয়ে দূর অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিতে। এই মুক্তির আকাঙ্ক্ষাতেই কবি তাঁর জীবনতরীর মাস্তুলে পাল বাঁধেন এবং সারারাত ধরে অবিরাম দাঁড় টানেন।

কিন্তু তাঁর এই সমস্ত চেষ্টাই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। কারণ, তাঁর নৌকোর নোঙর বাস্তবতার তটে শক্তভাবে আটকে আছে। এই নোঙর হলো মানুষের স্নেহ, মায়া, মমতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতীক। মানুষ চাইলেও তার পরিবার ও আপনজনদের মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পারে না।

কবির অবিরাম দাঁড় টানা সত্ত্বেও নৌকো একচুলও এগোয় না, উলটে নদীর স্রোত যেন তাঁর এই অসহায়তা দেখে বিদ্রুপ করে। একদিকে মুক্তির তীব্র পিপাসা এবং অন্যদিকে বাস্তবতার শিকলে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা থাকার এই যে অনিবার্য পরিণতি, তাই কবির মনে এক গভীর আক্ষেপ ও চিরকালীন ব্যর্থতার জন্ম দিয়েছে। মানবজীবনের এই সীমাবদ্ধতাই কবিতায় অত্যন্ত করুণ সুরে ধ্বনিত হয়েছে।

5. ‘নোঙর’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। (5)

উত্তর দেখো
উত্তর:

সাহিত্যে নামকরণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটি সার্থক নামকরণের মাধ্যমেই রচনার মূল ভাব ও অন্তর্নিহিত তাৎপর্য পাঠকের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কবি অজিত দত্তের আলোচ্য কবিতাটির ‘নোঙর’ নামকরণটি রূপকধর্মী এবং সর্বাঙ্গীণভাবে সার্থক।

কবিতাটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ‘নোঙর’ শব্দটিই মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। কবি তাঁর বাণিজ্য-তরী বা জীবনতরী নিয়ে দূর সিন্ধুপারে পাড়ি দিতে চান। তিনি মাস্তুলে পাল বাঁধেন, সারারাত ধরে দাঁড় টানেন, কিন্তু তাঁর সমস্ত প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়। এর একমাত্র কারণ হলো, তাঁর নৌকোর নোঙর তটের কিনারে শক্তভাবে আটকে আছে।

রূপকার্থে এই ‘নোঙর’ হলো প্রাত্যহিক জীবনের মায়া-মমতা এবং সাংসারিক দায়িত্বের প্রতীক। মানুষের মন চিরকাল অনন্তের পিয়াসী হলেও, এই মায়ার নোঙর তাকে বাস্তবতার গণ্ডিতে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখে। কবির সমস্ত আক্ষেপ, দাঁড় টানার ব্যর্থতা এবং স্রোতের বিদ্রুপ— সবকিছুর মূলেই রয়েছে এই নোঙরের অপ্রতিরোধ্য বাঁধন। যেহেতু মানবজীবনের এই চিরন্তন সীমাবদ্ধতা এবং কবিতার সমগ্র বিষয়বস্তু ‘নোঙর’ শব্দটিকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে, তাই এই রূপকধর্মী নামকরণটি সম্পূর্ণ সার্থক ও যুক্তিসংগত।

6. “সারারাত মিছে দাঁড় টানি, মিছে দাঁড় টানি” – কবিতায় এই পঙ্‌ক্তিটির পুনরাবৃত্তির কারণ কী? কবির এই চেষ্টার মধ্যে দিয়ে মানবজীবনের কোন্ চিরন্তন সত্য প্রতিফলিত হয়েছে? (2+3=5)

উত্তর দেখো
উত্তর:

পুনরাবৃত্তির কারণ: ‘নোঙর’ কবিতায় কবি অজিত দত্ত ‘মিছে দাঁড় টানি’ কথাটি দু-বার ব্যবহার করেছেন তাঁর অসীম হতাশা এবং না-পাওয়ার তীব্র দীর্ঘশ্বাসকে ফুটিয়ে তোলার জন্য। নৌকোর নোঙর বাস্তবতার তটে আটকে থাকায় তাঁর এগিয়ে যাওয়ার সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে জেনেও তিনি দাঁড় টানা থামাতে পারেন না। চেষ্টার এই অবিরাম ধারাবাহিকতা এবং মুক্তির জন্য অন্তহীন ব্যাকুলতা বোঝাতেই পঙ্‌ক্তিটির পুনরাবৃত্তি ঘটানো হয়েছে।

মানবজীবনের চিরন্তন সত্য: কবির এই ব্যর্থ অথচ নিরন্তর চেষ্টার মধ্য দিয়ে মানবজীবনের এক অদ্ভুত ট্র্যাজেডি এবং চিরন্তন আশাবাদ প্রতিফলিত হয়েছে। মানুষ তার প্রাত্যহিক জীবনের একঘেয়েমি ও সাংসারিক বন্ধন ছিন্ন করে স্বপ্নের কল্পলোকে পৌঁছাতে চায়। কিন্তু মায়া-মমতা এবং কর্তব্যের নোঙর তাকে বাস্তবতার মাটিতেই আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, মানুষ জানে যে এই বন্ধন থেকে পূর্ণ মুক্তি অসম্ভব, তবুও সে স্বপ্ন দেখা ছাড়ে না। বাস্তবতার কাছে বারবার পরাস্ত হয়েও মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে অবিরাম ছুটে চলে। মানুষের এই হার না-মানা মানসিকতা এবং চিরন্তন আশাবাদই এখানে পরম সত্য হয়ে উঠেছে।

7. ‘নোঙর’ কবিতায় রোমান্টিক মন ও কঠিন বাস্তবতার যে সংঘাত বা দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে, তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো। (5)

উত্তর দেখো
উত্তর:

কবি অজিত দত্তের ‘নোঙর’ কবিতাটি মূলত মানুষের রোমান্টিক বা স্বপ্নবিলাসী মনের সাথে কঠিন বাস্তবতার এক অবিরাম সংঘাতের নিখুঁত দলিল।

কবিতায় রোমান্টিক মনের প্রতীক হলো দূর সিন্ধুপারে পাড়ি দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা, মাস্তুলে পাল বাঁধা এবং জোয়ারের ফুলে ফেঁপে ওঠা ঢেউ। মানুষের মন চিরকালই সীমানার গণ্ডি পেরিয়ে অসীমের সঙ্গে মিশে যেতে চায়। সে স্বপ্ন দেখে এক স্বাধীন ও বাধাহীন কল্পনার জগতের, যেখানে প্রতিদিনের একঘেয়েমি নেই। এই মুক্তির আকাঙ্ক্ষাতেই রোমান্টিক মন সারারাত দাঁড় টানে।

অন্যদিকে, কঠিন বাস্তবতার প্রতীক হলো তটের কিনারে আটকে থাকা ‘নোঙর’ এবং স্রোতের বিদ্রুপ। স্বপ্ন যতই রঙিন হোক না কেন, মানুষের জীবন সমাজ, পরিবার, দায়িত্ব এবং আপনজনদের মায়ার বাঁধনে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা। এই বাস্তবতার শিকল এতই মজবুত যে, রোমান্টিক মনের সমস্ত আবেগ এবং মুক্তি পাওয়ার অদম্য ইচ্ছা এই নোঙরের কাছে এসে মাথা ঠুকে বারবার ব্যর্থ হয়। মানুষের মনের এই চাওয়ার এবং না-পাওয়ার মাঝখানে যে বিশাল ব্যবধান, রোমান্টিক মন ও বাস্তবতার সেই সংঘাতই কবিতায় অত্যন্ত করুণ সুরে ধ্বনিত হয়েছে।

8. “আমার বাণিজ্য-তরী বাঁধা পড়ে আছে / যতই না দাঁড় টানি, যতই মাস্তুলে বাঁধি পাল” – পঙ্‌ক্তিগুলির মধ্য দিয়ে কবির যে আক্ষেপ ও অসহায়তা ব্যক্ত হয়েছে, তা কবিতা অবলম্বনে বুঝিয়ে দাও। (5)

উত্তর দেখো
উত্তর:

‘নোঙর’ কবিতায় উদ্ধৃত পঙ্‌ক্তিগুলির মধ্যে দিয়ে কবি অজিত দত্ত মানবজীবনের এক চরম অসহায়তা এবং মুক্তির জন্য মানুষের অন্তহীন হাহাকারকে ব্যক্ত করেছেন।

এখানে ‘বাণিজ্য-তরী’ হলো মানুষের সমগ্র জীবন বা জীবনতরীর প্রতীক। মানুষ তার জীবনের রূপী নৌকায় সুখ, দুঃখ, স্বপ্ন এবং আকাঙ্ক্ষার অজস্র পণ্য বোঝাই করে এক অজানা ও সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে পাড়ি দিতে চায়। কবিও চেয়েছেন তাঁর জীবনকে গণ্ডিবদ্ধ তট থেকে মুক্ত করে অনন্ত সমুদ্রে ভাসিয়ে দিতে। এই মুক্তির প্রবল আকাঙ্ক্ষাতেই তিনি সারারাত ধরে অবিরাম দাঁড় টানেন এবং হাওয়াকে কাজে লাগানোর জন্য মাস্তুলে পাল বাঁধেন।

কিন্তু তাঁর এই সমস্ত প্রবল চেষ্টা এক মুহূর্তে চরম অসহায়তায় পরিণত হয়, যখন তিনি উপলব্ধি করেন যে তাঁর জীবনতরী বাস্তবতার তটে চিরকালের মতো বাঁধা পড়ে আছে। তাঁর নৌকোর নোঙর, অর্থাৎ সাংসারিক দায়িত্ব এবং আপনজনদের প্রতি মায়ার বাঁধন, তাঁকে এক পা-ও এগোতে দেয় না। একদিকে স্বপ্নের কাছে পৌঁছানোর ব্যাকুলতা এবং অন্যদিকে বাস্তবতার শৃঙ্খলে বন্দি থাকার এই অসহায় অবস্থাই কবির মনে এক গভীর আক্ষেপের সৃষ্টি করেছে, যা কবিতার ছত্রে ছত্রে দীর্ঘশ্বাসের মতো ছড়িয়ে আছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

শেয়ার